বলিউডের একসময়ের জনপ্রিয় ও সাহসী অভিনেত্রী জিনাত আমানের ব্যক্তিজীবন বরাবরই আলোচনায় ছিল। বিশেষ করে অভিনেতা মাজহার খানের সঙ্গে তার দাম্পত্য জীবনের নানা টানাপোড়েন আজও অনুরাগীদের কৌতূহলের বিষয়।
সিমি গারেওয়ালের সঙ্গে এক পুরনো সাক্ষাৎকারে নিজের দাম্পত্য জীবনের নানা অজানা দিক তুলে ধরেছিলেন জিনাত। অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাত্র এক বছরের মধ্যেই তার মনে হয়েছিল, মাজহারকে বিয়ে করার সিদ্ধান্তটি হয়তো ভুল ছিল। ওই সময় তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
এর মধ্যেই মাজহারের অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কের খবর প্রকাশিত হয় ‘স্টারডাস্ট’ পত্রিকায়। বিষয়টি জিনাতেরও অজানা ছিল না। তবে স্বামীর অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা জানার পরও তিনি বিচ্ছেদের পথে হাঁটেননি।
জিনাতের পরিবারের সদস্যরা এই বিয়েতে আপত্তি জানিয়েছিলেন। পরিবারের সেই আপত্তি উপেক্ষা করেই মাজহারকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। ফলে দাম্পত্য জীবনে নানা জটিলতা তৈরি হলেও সম্পর্কটি ভেঙে না দিয়ে তা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন অভিনেত্রী।
পরবর্তীতে মাজহার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে। তখন স্বামীর চিকিৎসা ও পরিচর্যার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন জিনাত। প্রায় পাঁচ বছর ধরে মাজহারের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে ছুটে বেড়ান তিনি। চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা—সবকিছুতেই সক্রিয় ছিলেন অভিনেত্রী।
স্বামীর পরিচর্যার জন্য বাড়িতেও বিভিন্ন কাজ শিখে নিয়েছিলেন জিনাত। এমনকি প্রয়োজনের সময় মাজহারের চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে হয়েছিল তাকে। দাম্পত্য জীবনের নানা ব্যক্তিগত কষ্ট ও জটিলতার মধ্যেও অসুস্থ স্বামীর পাশে থাকার চেষ্টা করেছিলেন তিনি।
জিনাত আমান ও মাজহার খানের দাম্পত্য জীবন স্থায়ী হয়েছিল প্রায় ১২ বছর। সম্পর্কের শুরু থেকেই নানা টানাপোড়েন থাকলেও বিচ্ছেদ ঘটেনি তাদের। বরং মাজহারের জীবনের শেষ কঠিন সময়ে তার চিকিৎসা ও সেবাযত্নে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন জিনাত।
১৯৯৮ সালে মারা যান মাজহার খান। তার মৃত্যুর পরও তাদের দাম্পত্য জীবনের নানা ঘটনা বলিউডের আলোচিত ব্যক্তিগত অধ্যায়গুলোর একটি হয়ে রয়েছে। পর্দায় আত্মবিশ্বাসী ও স্বাধীনচেতা ব্যক্তিত্বের জন্য পরিচিত জিনাত আমানের জীবনের এই অধ্যায় তার ব্যক্তিজীবনের জটিলতা ও আবেগঘন বাস্তবতার একটি ভিন্ন দিক তুলে ধরে।
সিমি গারেওয়ালের সঙ্গে এক পুরনো সাক্ষাৎকারে নিজের দাম্পত্য জীবনের নানা অজানা দিক তুলে ধরেছিলেন জিনাত। অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাত্র এক বছরের মধ্যেই তার মনে হয়েছিল, মাজহারকে বিয়ে করার সিদ্ধান্তটি হয়তো ভুল ছিল। ওই সময় তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
এর মধ্যেই মাজহারের অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কের খবর প্রকাশিত হয় ‘স্টারডাস্ট’ পত্রিকায়। বিষয়টি জিনাতেরও অজানা ছিল না। তবে স্বামীর অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা জানার পরও তিনি বিচ্ছেদের পথে হাঁটেননি।
জিনাতের পরিবারের সদস্যরা এই বিয়েতে আপত্তি জানিয়েছিলেন। পরিবারের সেই আপত্তি উপেক্ষা করেই মাজহারকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। ফলে দাম্পত্য জীবনে নানা জটিলতা তৈরি হলেও সম্পর্কটি ভেঙে না দিয়ে তা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন অভিনেত্রী।
পরবর্তীতে মাজহার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে। তখন স্বামীর চিকিৎসা ও পরিচর্যার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন জিনাত। প্রায় পাঁচ বছর ধরে মাজহারের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে ছুটে বেড়ান তিনি। চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা—সবকিছুতেই সক্রিয় ছিলেন অভিনেত্রী।
স্বামীর পরিচর্যার জন্য বাড়িতেও বিভিন্ন কাজ শিখে নিয়েছিলেন জিনাত। এমনকি প্রয়োজনের সময় মাজহারের চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে হয়েছিল তাকে। দাম্পত্য জীবনের নানা ব্যক্তিগত কষ্ট ও জটিলতার মধ্যেও অসুস্থ স্বামীর পাশে থাকার চেষ্টা করেছিলেন তিনি।
জিনাত আমান ও মাজহার খানের দাম্পত্য জীবন স্থায়ী হয়েছিল প্রায় ১২ বছর। সম্পর্কের শুরু থেকেই নানা টানাপোড়েন থাকলেও বিচ্ছেদ ঘটেনি তাদের। বরং মাজহারের জীবনের শেষ কঠিন সময়ে তার চিকিৎসা ও সেবাযত্নে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন জিনাত।
১৯৯৮ সালে মারা যান মাজহার খান। তার মৃত্যুর পরও তাদের দাম্পত্য জীবনের নানা ঘটনা বলিউডের আলোচিত ব্যক্তিগত অধ্যায়গুলোর একটি হয়ে রয়েছে। পর্দায় আত্মবিশ্বাসী ও স্বাধীনচেতা ব্যক্তিত্বের জন্য পরিচিত জিনাত আমানের জীবনের এই অধ্যায় তার ব্যক্তিজীবনের জটিলতা ও আবেগঘন বাস্তবতার একটি ভিন্ন দিক তুলে ধরে।
তামান্না হাবিব নিশু